কসমেটিকা ঢাকায় কোরিয়ান প্রযুক্তি: দেশীয় প্রসাধনী শিল্পের নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করছে কে-স্কিন বিডি ও ইউইউ এলএনপি

Uploaded Image


ঢাকা: রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে (আইসিসিবি) শুরু হওয়া ‘কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬: পাওয়ার্ড বাই রিমার্ক হারলান’ প্রদর্শনীতে দেশের ক্রমবর্ধমান বিউটি ও প্রসাধনী শিল্পে কোরিয়ান প্রযুক্তি এবং আধুনিক ফর্মুলেশনের মাধ্যমে নিজস্ব ব্র্যান্ডের পণ্য উৎপাদনের নতুন সম্ভাবনা তুলে ধরছে কে-স্কিন বিডি ও ইউইউ এলএনপি। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী এই বিশেষ আয়োজন চলবে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

প্রদর্শনীর দ্বিতীয় দিন শুক্রবারও (৪ সেপ্টেম্বর) কে-স্কিন বিডি ও ইউইউ এলএনপি’র বুথে (হল ৪, বুথ ৪৪৫-৪৪৬) দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। দেশ-বিদেশের সৌন্দর্য ও প্রসাধনী শিল্পের উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, ব্র্যান্ড মালিক, বিশেষজ্ঞ ও বিশিষ্ট অতিথিরা এতে অংশ নিচ্ছেন। বুথটি তারকাদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে, যেখানে সাবিলা নূর, মীম চৌধুরী, শান্তা ইসলামসহ একাধিক তারকাকে দেখা গেছে। ‘কসমেটিকা ঢাকা’ প্রদর্শনীতে দেশের নামীদামি সব ধরনের ব্র্যান্ডের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষণীয়।

আয়োজনটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো ‘ওয়ান-স্টপ প্রাইভেট ব্র্যান্ড ওএমই/ওডিএম সমাধান’। এর মাধ্যমে উদ্যোক্তারা তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ডের ধারণা এবং বাজারের চাহিদা অনুযায়ী ফর্মুলেশন, পণ্য উন্নয়ন, প্যাকেজিং ও উৎপাদন – পুরো প্রক্রিয়া একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সম্পন্ন করার সুযোগ পাচ্ছেন। কে-স্কিন বিডি ও ইউইউ এলএনপি বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের জন্য কোরিয়ায় উৎপাদিত মানসম্পন্ন নিজস্ব কোরিয়ান বিউটি ও স্কিন কেয়ার ব্র্যান্ড তৈরির সুযোগ সৃষ্টিতে কাজ করছে।

এই প্রদর্শনীতে বিভিন্ন ধরনের কোরিয়ান স্কিন কেয়ার পণ্য, আধুনিক ফর্মুলেশন এবং নিজস্ব ব্র্যান্ডের পণ্য উৎপাদনসংক্রান্ত বিভিন্ন সমাধান তুলে ধরা হচ্ছে। এর পাশাপাশি, উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্ভাব্য ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব, নিজস্ব ব্র্যান্ড উন্নয়ন, পণ্য উৎপাদন এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা চলছে।

কে-স্কিন বিডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কামরুল ইসলাম বিশ্বাস বলেন, “বাংলাদেশে কোরিয়ান বিউটি পণ্যের জনপ্রিয়তা বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় উদ্যোক্তাদের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নিজস্ব বিউটি ও স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড তৈরির আগ্রহও বাড়ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কোরিয়ান প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে বাংলাদেশের উদ্যোক্তা ও বাজারের সম্ভাবনাকে যুক্ত করার নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে।”

আয়োজকরা আশা করছেন, এই উদ্যোগ বাংলাদেশের বিউটি ও প্রসাধনী শিল্পে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন এবং নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা সৃষ্টির পাশাপাশি কোরিয়া-বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Post a Comment

0 Comments